নিজের ওয়েবসাইট কিভাবে নিজেই তৈরি করে নিতে পারেন (স্টেপ বাই স্টেপ দেখুন)

নিজের ওয়েবসাইট তৈরি করে সেখান থেকে ইনকাম করতে চাচ্ছেন? তাহলে আপনার প্রথম কাজ হচ্ছে নিশ সিলেক্ট করে নেওয়া এবং সেই নিশ এর উপর নির্ভর করে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে নেওয়া।  আপনার যদি টেকনিক্যাল নলেজ নাও থাকে কোন সমস্যা নেই কারন এই আর্টিকেল এবং আর্টিকেল সিরিজ থেকে আপনি সব বিষয়গুলোই স্টেপ বাই স্টেপ শিখতে যাচ্ছেন।

ওয়েবসাইট তৈরি করতে গেলে কি প্রয়োজন?

  • ডোমেইন নাম (TLD)
  • ওয়েব হোস্টিং

ডোমেইন নামঃ এটা হচ্ছে আপনার ভারচ্যুয়াল আইডেনটিটি।  যখন আপনি আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করবেন অবশ্যই সেই ওয়েবসাইট এর একটি নাম প্রয়োজন তাইনা? এই নামটাকেই বলা হয় ডোমেইন।  যেমন Facebook.com এটা হচ্ছে একটা কোম্পানি বা ওয়েবসাইট এর নাম।  আপনারও ঠিক এই রকম একটি নাম রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

এই নাম আপনি চাইলে ১ বছর থেকে ১০ বছরের জন্য রেজিস্ট্রেশন করে নিতে পারেন।  আপনাকে প্রতি বছর এই ডোমেইন নাম রিনিউ করে নিতে হবে এবং এই ডোমেইন এর নাম রেজিস্ট্রেশন করার পর অবশ্যই আপনাকে হোস্টিং সেবা নিতে হবে। হোস্টিং ছাড়া আপনার ডোমেইন কোন কাজে আসবেনা।

ওয়েব হোস্টিংঃ ওয়েব হোস্টিং হচ্ছে একটি ক্লাউডবেজ কম্পিউটার।  এটা আমার আপনার নিয়েমিত ব্যাবহিত কম্পিউটার এর মতই একটি কম্পিউটার।  তবে এই কম্পিউটার সব সময় চলতে থাকে এবং এখানে খুব ভালো ইন্টারনেট কানেকশন দেওয়া থাকে। 

আপনি যখন কোম্পানিকে টাকা দেবেন তখন কোম্পানি ওই কম্পিউটার এর হার্ডডিস্ক থেকে কিছু জায়গা দেবে এবং ওই কম্পিউটারের সাথে আপনার ডোমেইন কানেক্ট করার জন্য একটি নেম-সার্ভার অ্যাড্রেস দেবে।

আপনাকে ওই নেম-সার্ভার ব্যবহার করে ডোমেইনটি হোস্টিং এর সাথে কানেক্ট করতে হবে।  আশা করি ডোমেইন এবং হোস্টিং সম্পর্কে আপনি বেসিক ভালো একটি ধারনা পেয়েছেন।

ডোমেইন কিভাবে রেজিস্ট্রেশন করবো?

ডোমেইন এবং হোস্টিং রেজিস্ট্রেশন করার আগে আপনাকে আগে জানতে হবে কোন কোম্পানি থেকে আপনি ডোমেইন এবং হোস্টিং সেবা ক্রয় করবেন।  আমাদের বাংলাদেশ এ অনেক কোম্পানি আছে যাদের কাছ থেকে আপনি ডোমেইন হোস্টিং কিনতে পারেন।  কিন্তু আমার দেখা মতে বেশিরভাগ কোম্পানি অনেক কম খরচের হোস্টিং সেবা নিয়ে বাংলাদেশ এ সেবা দিচ্ছে।  এবং এর কারনে দেখা যায় অনেক সময় ওয়েবসাইট ডাউন হয়ে যাচ্ছে এই ধরনের সমস্যায় অনেকের পড়তে হচ্ছে।

আমি ব্যাক্তিগতভাবে ব্যবহার করি Bluehost এবং Namecheap কোম্পানির সেবা।  আপনি চাইলে এদের কাছ থেকে ডোমেইন হোস্টিং কিনতে পারেন।  তবে এই কোম্পানি গুলো থেকে ডোমেইন হোস্টিং কিনতে হলে আপনার অবশ্যই ক্রেডিট কার্ড থাকতে হবে।  আপনি আপনার Payoneer কার্ড এর মাধ্যমেও কিনতে পারবেন।

আর যদি আরো সহজ সমাধান চান তাহলে Eastern Bank Limited বাংলাদেশ থেকে Aqua Pre-paid Card দিচ্ছে যেখানে ডুয়েল কারেন্সি থাকে। এই কার্ড করে নিতে পারেন।

আপনি যদি কার্ড যোগার করতে না পারেন তাহলে আমাদের ম্যাবস্ আই.টি থেকেও আপনি ডোমেইন হোস্টিং সেবা কিনতে পারবেন।

Namecheap থেকে কিভাবে ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনতে হয় সেটা আমি আপনাকে এখানে যেখাচ্ছি।


আশা করি বুঝতে পেরেছেন কিভাবে ডোমেইন-হোস্টিং কিনতে হয়।  আপনার ডোমেইন হোস্টিং সেটাপ হয়ে গেলে এর পরের স্টেপ এ আপনাকে যা করতে হবে সেটা জানতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন​​​​ এবং আপনার ওয়েবসাইট আমার সাথেই তৈরি করে নিন।

যদি ব্লগিং এর মাধ্যমে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চান এবং আপনি যদি ব্লগিং এ নতুন হয়ে থাকেন তাহলে এই কোর্স আপনার জন্য পারফেক্ট একটি কোর্স।

Recommendation

আপনি যদি ফ্রিলান্সিং বা ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে চান তাহলে ম্যাবস্ আই.টি আপনাকে অনেকভাবেই সাহায্য করবে এবং আপনি চাইলে ম্যাবস্ আই.টি ফ্রি মেম্বারশিপ নিয়ে আগে মেম্বার্স প্যানেলের বিস্তারিত দেখতে পারেন।

এখানে অনেক ফ্রি কোর্সও আপনি পাবেন সেগুলো আগে দেখুন এর পর যদি আপনি মনে করেন ম্যাবস্ আই.টি আপনাকে সাহায্য করবে তাহলে মেম্বারশিপ আপগ্রেড করে নিতে পারবেন।

ফ্রি একাউন্ট করে নিতে এখানে ক্লিক করুন

FAQ

আমার এই পোস্ট যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই পোস্টটি শেয়ার করুন এবং আপনার যদি কোন ধরনের প্রশ্ন থাকে তাহলে কমেন্টে জানাতে পারেন আমরা চেস্টা করবো আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে।

লাজুক হাসান

আস-সালামু-ওয়ালাইকুম, আমি লাজুক হাসান। আমি ম্যাবস্ আই.টি এর প্রতিষ্ঠাতা এবং আপনার কোর্স ইন্সট্রাকটর। আমি ৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে ফ্রিলান্সিং এবং অনলাইন মার্কেটিং এর সাথে কাজ করছি।